

শাল্লা থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি;
বিএনপি-জামাতের অবরোধ ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে শান্তি সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শাল্লা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।
বিএনপি-জামাতের টানা ৪৮ ঘন্টা অবরোধের বিরুদ্ধে শাল্লা উপজেলা আওয়ামী লীগের শান্তি ও বিক্ষোভ সমাবেশের আজ ছিল শেষ দিন।
বৃহস্পতিবার ৯ নভেম্বর দুপুরে নির্বাচন অফিসের সামনে থেকে একটি মিছিলটি বের করে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে শান্তি সমাবেশে মিলিত হয়।
শাল্লা ইউপি’র ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহিত মিয়ার সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব অজয় তালুকদারের সঞ্চালনায় শান্তি সমাবেশে জেলা যুবলীগের সদস্য ও উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান এ্যাড: দিপু রঞ্জন দাস প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন- একটি কুচক্রি মহল এ দেশের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে মদত দিয়ে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার পায়তারা করছে। বর্তমান সরকার প্রধান দেশের তিন তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী সফল রাষ্ট্রানায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে তারা নষ্ট করতে চায়।
তিনি জামায়াত-বিএনপির ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দলের সকল নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে আরোও বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার উন্নয়নের সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে হবে, সেই সাথে বিএনপির হরতাল ও অবরোধে জন সাধারণের জানমালের যাতে কোন প্রকার ক্ষতিসাধন না হয় সে ব্যাপারে আওয়ামীলীগ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিধান চন্দ্র চৌধুরী,৩নং বাহাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পিযুজ কান্তি দাস।
সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পিযুজ চৌধুরী,বাহাড়া ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফনী ভূষণ সরকার,শাল্লা ইউপি সদস্য জহির মিয়া,হারুন মিয়া,হবিবপুর ইউপি সদস্য টিপু সুলতান,যুবলীগ নেতা লাল আমিন তালুকদার,সুহেল মিয়া,সুদীপ চৌধুরী,জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পলাশ চৌধুরী,ছাত্রলীগ নেতা শামীম মিয়া,রাজু দাশ ও আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,কৃষকলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



