জ্বালানি পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী,বন্ধ হতে পারে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র


বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তেল, গ্যাস, কয়লা সবই আমদানি করতে হয়।
বিশ্ব বাজারে যখনই জ্বালানি পণ্যের দাম বেড়ে যায়, তখন আমদানি ব্যয় বাড়ায় সরকারের ভর্তুকিও বাড়ে বিপুল পরিমাণে। এর ফলে অর্থ সংকটে পড়ে ব্যাহত হয় আমদানি, যার সামগ্রিক প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। বর্তমানে বৈশ্বিক সংকটের কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম আবারো ঊর্ধ্বমুখী। বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। স্পট মার্কেটে এলএনজির দামও বাড়ছে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিশেষ করে ডিজেলভিত্তিক অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্র এরই মধ্যে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ৩০ টাকা খরচ হতো। কিন্তু গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ১২ টাকা করে খরচ হচ্ছে। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসভিত্তিক আরও ৮০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে। ক্রমান্বয়ে অকার্যকর সব বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে।(সূত্র;আমাদের সময়)
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অটোমেটেড বা ডায়নামিক প্রাইস ফর্মুলা তৈরি করতে কাজ করা হচ্ছে। সময় লাগবে।



